সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিবন্ধের খোঁজ
এখানে আপনি লেখক, নিবন্ধের বিষয়, তথ্য, প্রকাশের তারিখ দিয়ে বিভিন্নভাবে খুঁজতে পারেন, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই খোঁজা যাবে।
আপনি খুঁজছেন এমন নিবন্ধ যার লেখক/লেখিকা: [শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় - Samik Bandyopadhyay ],
বিকল্প বামপন্থীরাই
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
জীবিকাহীন বিপুল জনমণ্ডলীকে যাবতীয় স্বাধিকার ও আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে ভিক্ষাজীবী তথা শাসকের অনুগ্রহপ্রার্থীর অবমাননায় নিক্ষেপ করার অভিসন্ধিতে একাত্ম কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকপক্ষ বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞাপনে মিডিয়া প্লাবিত করে দিয়েছেন, সেই বিজ্ঞাপনী বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতায় মিডিয়াও যেভাবে বামশক্তির বিরুদ্ধে সুচতুর প্রচারে লিপ্ত, তাতে বামশক্তির প্রচারে সর্বশক্তিসমাবেশের দায় ক্রমবর্ধমান। কেরলের দৃষ্টান্তে বামশক্তি একটা রাজ্যকে— কেন্দ্রের প্রবল অসহযোগ সত্ত্বেও— কোন সুস্থিতিকে প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা আজ সারা পৃথিবী স্বীকার করে, তাকে সম্ভ্রম করে। সেই দৃষ্টান্তে যা একেবারে কেন্দ্রিত, তা হল সুস্থ গণতন্ত্রের দায়পূরণে নিষ্ঠা, বিশ্বমানবিকতার প্রতি নিশ্চল অঙ্গীকার। সেই আদর্শ ও দৃষ্টান্ত সামনে রেখেই এই রাজ্যেও বামফ্রন্ট-এর অভিযান। ...more
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
জীবিকাহীন বিপুল জনমণ্ডলীকে যাবতীয় স্বাধিকার ও আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে ভিক্ষাজীবী তথা শাসকের অনুগ্রহপ্রার্থীর অবমাননায় নিক্ষেপ করার অভিসন্ধিতে একাত্ম কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকপক্ষ বিজ্ঞাপনে বিজ্ঞাপনে মিডিয়া প্লাবিত করে দিয়েছেন, সেই বিজ্ঞাপনী বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতায় মিডিয়াও যেভাবে বামশক্তির বিরুদ্ধে সুচতুর প্রচারে লিপ্ত, তাতে বামশক্তির প্রচারে সর্বশক্তিসমাবেশের দায় ক্রমবর্ধমান। কেরলের দৃষ্টান্তে বামশক্তি একটা রাজ্যকে— কেন্দ্রের প্রবল অসহযোগ সত্ত্বেও— কোন সুস্থিতিকে প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা আজ সারা পৃথিবী স্বীকার করে, তাকে সম্ভ্রম করে। সেই দৃষ্টান্তে যা একেবারে কেন্দ্রিত, তা হল সুস্থ গণতন্ত্রের দায়পূরণে নিষ্ঠা, বিশ্বমানবিকতার প্রতি নিশ্চল অঙ্গীকার। সেই আদর্শ ও দৃষ্টান্ত সামনে রেখেই এই রাজ্যেও বামফ্রন্ট-এর অভিযান। ...more
১৮-এপ্রিল-২০২৬
সোমনাথ হোরের তেভাগার ডায়েরি
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
৪ জানুয়ারি ১৯৪৭ তারিখে দিনাজপুর জেলার ছিরিরবন্দর-এর অন্তর্গত তালপুকুর গ্রামে একটি কৃষক সমাবেশের উপরে পুলিশ গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেলেন শিবরাম নামে একজন ভূমিহীন সাঁওতাল চাষি আর সমিরুদ্দিন নামে আর-একজন ভূমিহীন চাষি। আরও অনেকেই গুলিবিদ্ধ হলেন।... ছিরিরবন্দরে গুলি চালানোর পরের দিনই ভূমি-রাজস্ব মন্ত্রী ফজলুর রহমান সিরাজগঞ্জে একটি জনসভায় ঘোষণা করলেন, অচিরে বাংলা সরকার বর্গাদারদের জমি থেকে উৎখাত রোধ এবং ফসলের তিনভাগের দুইভাগ বর্গাদার ও একভাগ জোতদার পাবে এই মর্মে একটি বিল আনবেন। কোলকাতা গেজেটে ২২ জানুয়ারি ১৯৪৭ তারিখে ‘দি বেঙ্গল বর্গাদারস টেমপোরারি রেগুলেশন বিল’ প্রকাশিত হল।’ ...more
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
৪ জানুয়ারি ১৯৪৭ তারিখে দিনাজপুর জেলার ছিরিরবন্দর-এর অন্তর্গত তালপুকুর গ্রামে একটি কৃষক সমাবেশের উপরে পুলিশ গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেলেন শিবরাম নামে একজন ভূমিহীন সাঁওতাল চাষি আর সমিরুদ্দিন নামে আর-একজন ভূমিহীন চাষি। আরও অনেকেই গুলিবিদ্ধ হলেন।... ছিরিরবন্দরে গুলি চালানোর পরের দিনই ভূমি-রাজস্ব মন্ত্রী ফজলুর রহমান সিরাজগঞ্জে একটি জনসভায় ঘোষণা করলেন, অচিরে বাংলা সরকার বর্গাদারদের জমি থেকে উৎখাত রোধ এবং ফসলের তিনভাগের দুইভাগ বর্গাদার ও একভাগ জোতদার পাবে এই মর্মে একটি বিল আনবেন। কোলকাতা গেজেটে ২২ জানুয়ারি ১৯৪৭ তারিখে ‘দি বেঙ্গল বর্গাদারস টেমপোরারি রেগুলেশন বিল’ প্রকাশিত হল।’ ...more
১৪-এপ্রিল-২০২৫
রামের নামে
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনটির মতো লজ্জার, গ্লানির দিন আর কোনওটি হয় না। তারপর অনেকগুলো বছর কেটে গেল।বিচারালয়ে বিচার হলো। আরও লজ্জা! আরও দুর্বিষহ লজ্জা! বিচারে বাবরি মসজিদ ধ্বংসকাণ্ডকে অত্যন্ত নিন্দনীয় একটি ঘটনা বলে বর্ণনা করেও বিচারপতিরা তাঁদের অদ্ভুত বিচারবোধে যারা এই ধ্বংসকাণ্ড করেছিলেন, তাদেরই হাতে বাবরি মসজিদের পরিত্যক্ত জমি তুলে দিলেন। সেখানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এটা আরও বড় লজ্জার। চূড়ান্ত অবিচারের দৃষ্টান্ত। এই দ্বিতীয় লজ্জায় একটা শিক্ষা বোধ হয় হলো, একটা বোধের জন্ম নিল। বিচারব্যবস্থার ওপর আমাদের একটা অন্ধ বিশ্বাস, যেটা এমনভাবে স্খলিত হলো, খণ্ডিত হলো; আমাদের নতুন করে ভাবতে শুরু করতে হলো; সংহত প্রতিবাদী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনমত জনচেতনাকে সংগঠিত করে আমরা যদি উদ্যোগ না নিতে পারি, কেবলমাত্র যদি বিচারের সুবিচারের আশায় বসে থাকি, ভরসায় বসে থাকি, তবে লজ্জার ঘটনা ঘটতেই থাকবে। ...more
শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনটির মতো লজ্জার, গ্লানির দিন আর কোনওটি হয় না। তারপর অনেকগুলো বছর কেটে গেল।বিচারালয়ে বিচার হলো। আরও লজ্জা! আরও দুর্বিষহ লজ্জা! বিচারে বাবরি মসজিদ ধ্বংসকাণ্ডকে অত্যন্ত নিন্দনীয় একটি ঘটনা বলে বর্ণনা করেও বিচারপতিরা তাঁদের অদ্ভুত বিচারবোধে যারা এই ধ্বংসকাণ্ড করেছিলেন, তাদেরই হাতে বাবরি মসজিদের পরিত্যক্ত জমি তুলে দিলেন। সেখানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এটা আরও বড় লজ্জার। চূড়ান্ত অবিচারের দৃষ্টান্ত। এই দ্বিতীয় লজ্জায় একটা শিক্ষা বোধ হয় হলো, একটা বোধের জন্ম নিল। বিচারব্যবস্থার ওপর আমাদের একটা অন্ধ বিশ্বাস, যেটা এমনভাবে স্খলিত হলো, খণ্ডিত হলো; আমাদের নতুন করে ভাবতে শুরু করতে হলো; সংহত প্রতিবাদী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জনমত জনচেতনাকে সংগঠিত করে আমরা যদি উদ্যোগ না নিতে পারি, কেবলমাত্র যদি বিচারের সুবিচারের আশায় বসে থাকি, ভরসায় বসে থাকি, তবে লজ্জার ঘটনা ঘটতেই থাকবে। ...more
০৬-ডিসেম্বর-২০২২
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
২০-মে-২০২৬
১৯-মে-২০২৬
১৯-মে-২০২৬
১৭-মে-২০২৬
১৫-মে-২০২৬
১৪-মে-২০২৬



