সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা
প্রত্যাশা, হতাশা, দিশা
টিম মার্কসবাদী পথ
আজকের দিশা: বাংলার পুনরুত্থান। বাম বিকল্পের মূল কথাও তাই: রিসারজেন্স অব বেঙ্গল। সেই লক্ষ্যেই এই ই-বুক। টিম মার্কসবাদী পথ-এর একটি ক্ষুদ্র বিনম্র প্রয়াস। বলা যেতে পারে একটি খসড়া দলিল। খসড়া একারণেই, বিকল্পের ইশতেহার এখন চূড়ান্ত নয়। মানুষের মতামতে তা চূড়ান্ত হবে। তবু এই শতকের গত আড়াই দশক-কে এক ক্যানভাসে ধরার একটি আন্তরিক চেষ্টা। কোথায় ছিলাম, এখন কোথায়, কোথায় যেতে হবে— এই নিয়েই এই বই ...more
মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা বিভাগে প্রকাশিত ৯ টি বই
প্রত্যাশা, হতাশা, দিশা
টিম মার্কসবাদী পথ
আজকের দিশা: বাংলার পুনরুত্থান। বাম বিকল্পের মূল কথাও তাই: রিসারজেন্স অব বেঙ্গল। সেই লক্ষ্যেই এই ই-বুক। টিম মার্কসবাদী পথ-এর একটি ক্ষুদ্র বিনম্র প্রয়াস। বলা যেতে পারে একটি খসড়া দলিল। খসড়া একারণেই, বিকল্পের ইশতেহার এখন চূড়ান্ত নয়। মানুষের মতামতে তা চূড়ান্ত হবে। তবু এই শতকের গত আড়াই দশক-কে এক ক্যানভাসে ধরার একটি আন্তরিক চেষ্টা। কোথায় ছিলাম, এখন কোথায়, কোথায় যেতে হবে— এই নিয়েই এই বই ...more
টিম মার্কসবাদী পথ
আজকের দিশা: বাংলার পুনরুত্থান। বাম বিকল্পের মূল কথাও তাই: রিসারজেন্স অব বেঙ্গল। সেই লক্ষ্যেই এই ই-বুক। টিম মার্কসবাদী পথ-এর একটি ক্ষুদ্র বিনম্র প্রয়াস। বলা যেতে পারে একটি খসড়া দলিল। খসড়া একারণেই, বিকল্পের ইশতেহার এখন চূড়ান্ত নয়। মানুষের মতামতে তা চূড়ান্ত হবে। তবু এই শতকের গত আড়াই দশক-কে এক ক্যানভাসে ধরার একটি আন্তরিক চেষ্টা। কোথায় ছিলাম, এখন কোথায়, কোথায় যেতে হবে— এই নিয়েই এই বই ...more
০১-মার্চ-২০২৬
নূতন পথের বার্তা কবে
সুচেতনা চট্টোপাধ্যায়
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সবে থেমেছে, রাশিয়ায় বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করেছে সবে বছর খানেক। এমন এক সন্ধিক্ষণেই বাংলায় শুরু হয় বামপন্থী রাজনীতির চর্চা। ব্রিটিশ সরকার দেখতে শুরু করে বলশেভিকদের ভূত। কেমন ছিল সেই নতুন পথে যাত্রায় শুরুর দিনগুলো? এই নিয়েই ২০২৫-এর আগস্ট মাসে পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় দ্বিতীয় কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক বক্তৃতায় আলোচনা করেছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুচেতনা চট্টোপাধ্যায়। সেই আলোচনাই এবার দু-মলাটে। ...more
সুচেতনা চট্টোপাধ্যায়
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সবে থেমেছে, রাশিয়ায় বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করেছে সবে বছর খানেক। এমন এক সন্ধিক্ষণেই বাংলায় শুরু হয় বামপন্থী রাজনীতির চর্চা। ব্রিটিশ সরকার দেখতে শুরু করে বলশেভিকদের ভূত। কেমন ছিল সেই নতুন পথে যাত্রায় শুরুর দিনগুলো? এই নিয়েই ২০২৫-এর আগস্ট মাসে পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় দ্বিতীয় কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক বক্তৃতায় আলোচনা করেছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুচেতনা চট্টোপাধ্যায়। সেই আলোচনাই এবার দু-মলাটে। ...more
১৪-জানুয়ারি-২০২৬
আরব মার্কসবাদ ও জাতীয় মুক্তি
মাহদি আমেল
মাহদি আমেল। ছিলেন বেইরুটের লেবানিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। লেবাননের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। একদিন খুন হয়ে যান বেইরুটের রাস্তায়। আরব বিশ্বে সবচেয়ে প্রিয় মার্কসবাদী তাত্ত্বিকদের একজন। বাকি বিশ্ব তাঁকে চেনে আরব গ্রামশি নামে। মাহদি আমেলের চিন্তার বিষয় ছিল– মার্কসবাদী ধারণাকে কীভাবে পশ্চিম এশিয়ায় উপস্থিত করা যায়, যা আরব বাস্তবতার প্রতি থাকবে বিশ্বস্ত। মার্কসবাদী তত্ত্ব যখন তৃতীয় বিশ্বে পৌঁছয়, তখন তাকে নমনীয় ও নির্দিষ্ট হতেই হত: মার্কসবাদের পরিপ্রেক্ষিত থেকে তখন শিখতে হত এবং বুঝতে হত– কোন পথে পুঁজিবাদ নতুন জায়গায় নিজেকে বদলে ফেলে এবং ইতিহাসকে চালিত করার জন্য সামাজিক রূপান্তরের কোন পথ খোঁজে। সম্প্রতি তাঁর ছ’টি প্রধান লেখা এই প্রথম ইংরেজি পাঠকদের কাছে নিয়ে এসেছে লেফটওয়ার্ড। তার থেকে বাছাই চারটি লেখা নিয়ে এই বই। এর মধ্যে মূল দুটি লেখা উপনিবেশবাদ ও অনুন্নয়ন সম্পর্কে। এই দু’টি লেখায় আমেল বোঝার চেষ্টা করেছেন নির্ভরতার প্রশ্নটিকে। এডওয়ার্ড সাঈদ মার্কসকে যেভাবে বিশ্লেষণ করেছেন, রয়েছে তার সমালোচনা। সেইসঙ্গেই রয়েছে ইসলাম প্রভাবিত বুর্জোয়া চিন্তার স্বরূপ উন্মোচন ...more
মাহদি আমেল
মাহদি আমেল। ছিলেন বেইরুটের লেবানিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। লেবাননের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। একদিন খুন হয়ে যান বেইরুটের রাস্তায়। আরব বিশ্বে সবচেয়ে প্রিয় মার্কসবাদী তাত্ত্বিকদের একজন। বাকি বিশ্ব তাঁকে চেনে আরব গ্রামশি নামে। মাহদি আমেলের চিন্তার বিষয় ছিল– মার্কসবাদী ধারণাকে কীভাবে পশ্চিম এশিয়ায় উপস্থিত করা যায়, যা আরব বাস্তবতার প্রতি থাকবে বিশ্বস্ত। মার্কসবাদী তত্ত্ব যখন তৃতীয় বিশ্বে পৌঁছয়, তখন তাকে নমনীয় ও নির্দিষ্ট হতেই হত: মার্কসবাদের পরিপ্রেক্ষিত থেকে তখন শিখতে হত এবং বুঝতে হত– কোন পথে পুঁজিবাদ নতুন জায়গায় নিজেকে বদলে ফেলে এবং ইতিহাসকে চালিত করার জন্য সামাজিক রূপান্তরের কোন পথ খোঁজে। সম্প্রতি তাঁর ছ’টি প্রধান লেখা এই প্রথম ইংরেজি পাঠকদের কাছে নিয়ে এসেছে লেফটওয়ার্ড। তার থেকে বাছাই চারটি লেখা নিয়ে এই বই। এর মধ্যে মূল দুটি লেখা উপনিবেশবাদ ও অনুন্নয়ন সম্পর্কে। এই দু’টি লেখায় আমেল বোঝার চেষ্টা করেছেন নির্ভরতার প্রশ্নটিকে। এডওয়ার্ড সাঈদ মার্কসকে যেভাবে বিশ্লেষণ করেছেন, রয়েছে তার সমালোচনা। সেইসঙ্গেই রয়েছে ইসলাম প্রভাবিত বুর্জোয়া চিন্তার স্বরূপ উন্মোচন ...more
০৫-আগস্ট-২০২৫
‘মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে’– ধূমকেতু, রক্তকরবী, লাঙল
আব্দুল কাফি
রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী-তে, যন্ত্রসভ্যতার তন্ত্রকে শোষণের জন্য দায়ী করে যে স্পষ্ট রাজনৈতিক ইশারা আমরা দেখতে পাই, নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। রক্তকরবী-কে যদি আমরা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে (হিস্টোরিসাইজড) দেখতে শিখি, তাহলে ধূমকেতু ও লাঙল থেকে তাকে কখনোই বিচ্ছিন্ন করতে পারি না। মার্কসবাদী পথ পত্রিকার উদ্যোগে প্রথম কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক বক্তৃতা। বিষয় ছিল ‘মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে’– ধূমকেতু, রক্তকরবী, লাঙল। বক্তা ছিলেন আব্দুল কাফি। আজকের সময়ে জরুরি সেই বক্তৃতা, সঙ্গে বিস্তারিত উল্লেখপঞ্জী ও টীকা-সহ বইটি প্রকাশ করছে মার্কসবাদী পথ। ...more
আব্দুল কাফি
রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী-তে, যন্ত্রসভ্যতার তন্ত্রকে শোষণের জন্য দায়ী করে যে স্পষ্ট রাজনৈতিক ইশারা আমরা দেখতে পাই, নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। রক্তকরবী-কে যদি আমরা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে (হিস্টোরিসাইজড) দেখতে শিখি, তাহলে ধূমকেতু ও লাঙল থেকে তাকে কখনোই বিচ্ছিন্ন করতে পারি না। মার্কসবাদী পথ পত্রিকার উদ্যোগে প্রথম কাজী নজরুল ইসলাম স্মারক বক্তৃতা। বিষয় ছিল ‘মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে’– ধূমকেতু, রক্তকরবী, লাঙল। বক্তা ছিলেন আব্দুল কাফি। আজকের সময়ে জরুরি সেই বক্তৃতা, সঙ্গে বিস্তারিত উল্লেখপঞ্জী ও টীকা-সহ বইটি প্রকাশ করছে মার্কসবাদী পথ। ...more
২৭-জানুয়ারি-২০২৫
মতাদর্শের প্রশ্নে
সীতারাম ইয়েচুরি
কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার অনেকদিন আগে থেকেই তাঁর বহু লেখার বাংলা অনুবাদ মার্কসবাদী পথ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এই বইয়ে রয়েছে মার্কসবাদী পথ-এ প্রকাশিত তাঁর লেখাগুলির মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া এমন কিছু রচনা, যেখানে একজন মার্কসবাদীর মতাদর্শগত বোঝাপড়াই মুখ্য। সাধারণভাবে মতাদর্শের প্রশ্নে এবং বিশেষভাবে বামপন্থী মতাদর্শের ব্যাপারে যুক্তিনির্ভর ও নির্মোহ বিশ্লেষণের যে নমুনা কমরেড ইয়েচুরির নিবন্ধগুলিতে পাওয়া যায়, তা দুই মলাটে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ। যাতে মতাদর্শ-চর্চার ক্ষেত্রে আজ ও আগামিকালের সৈনিকদের কিছু সুবিধা হয়। কমরেড ইয়েচুরির দীর্ঘদিনের বন্ধু, সঙ্গী ও সহযোদ্ধা প্রকাশ কারাতের লেখা মুখবন্ধটিতে তাঁর যে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন ফুটে উঠেছে সেটিও খুব মূল্যবান। কমরেড ইয়েচুরির কাজের প্রতি মার্কসবাদী পথ-এর অভিবাদন হিসেবেই এই ক্ষুদ্র রচনা সংকলন। সম্পাদনা করেছেন শুভ্রজ্যোতি দে, অনল পাল, আব্দুল কাফি। ...more
সীতারাম ইয়েচুরি
কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার অনেকদিন আগে থেকেই তাঁর বহু লেখার বাংলা অনুবাদ মার্কসবাদী পথ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এই বইয়ে রয়েছে মার্কসবাদী পথ-এ প্রকাশিত তাঁর লেখাগুলির মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া এমন কিছু রচনা, যেখানে একজন মার্কসবাদীর মতাদর্শগত বোঝাপড়াই মুখ্য। সাধারণভাবে মতাদর্শের প্রশ্নে এবং বিশেষভাবে বামপন্থী মতাদর্শের ব্যাপারে যুক্তিনির্ভর ও নির্মোহ বিশ্লেষণের যে নমুনা কমরেড ইয়েচুরির নিবন্ধগুলিতে পাওয়া যায়, তা দুই মলাটে ধরে রাখতেই এই উদ্যোগ। যাতে মতাদর্শ-চর্চার ক্ষেত্রে আজ ও আগামিকালের সৈনিকদের কিছু সুবিধা হয়। কমরেড ইয়েচুরির দীর্ঘদিনের বন্ধু, সঙ্গী ও সহযোদ্ধা প্রকাশ কারাতের লেখা মুখবন্ধটিতে তাঁর যে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন ফুটে উঠেছে সেটিও খুব মূল্যবান। কমরেড ইয়েচুরির কাজের প্রতি মার্কসবাদী পথ-এর অভিবাদন হিসেবেই এই ক্ষুদ্র রচনা সংকলন। সম্পাদনা করেছেন শুভ্রজ্যোতি দে, অনল পাল, আব্দুল কাফি। ...more
২০-নভেম্বর-২০২৪
রোজা
রোজা লুক্সেমবার্গ
গুলি করে তাঁর লাশ খালে ভাসিয়ে দেওয়ার আগে শেষ লেখায় জার্মান শাসকদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে তিনি লিখেছিলেন: তোমরা বলছ ‘শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বার্লিনে!’ তোমাদের ‘শৃঙ্খলা’ বালির উপর তৈরি। আগামীকাল বিপ্লব ‘আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে, বের করবে তার হাতিয়ার,’ এবং তোমাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে শঙ্খনিনাদে ঘোষণা করবে: আমি ছিলাম, আমি আছি, আমি থাকব! লাল ঝান্ডা পত্রিকার সম্পাদকীয়তে এই শঙ্খনিনাদের একদিন বাদেই ‘রেড রোজা’র শহীদীবরণ। ভ্লাদিমির লেনিনের কাছে রোজা ছিলেন‘ঈগলপ্রতিম’। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকে বিশ্বাসঘাতকদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে দৃঢ় লড়াই চালিয়েছিলেন দু’জনে। তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্ট মতবিরোধ ছিল। আবার একইসঙ্গে ছিল আন্তর্জাতিক প্রলেতারিয় ঐক্য। শওকৎ ওসমানী যখন মস্কোর কমিন্টার্ন দপ্তরে স্তালিনের ঘরে প্রবেশ করেছিলেন, তখন দেওয়ালে মার্কস-এঙ্গেলসের সঙ্গেই দেখেছিলেন কার্ল লিবনেখেট আর রোজার প্রতিকৃতি। ইএমএসের ভাষায়, রোজার ‘ভ্রান্তিগুলি সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে সর্বহারা বিপ্লবের জন্য তিনি এক রোল মডেল।’ কমরেড ক্লারার কথায়, রোজা ‘ছিল একটি তরবারি, সে ছিল বিপ্লবের আগুন। আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্রের ইতিহাসে মহত্তম ব্যক্তিত্বদের একজন হয়ে থাকবে রোজা।’ ...more
রোজা লুক্সেমবার্গ
গুলি করে তাঁর লাশ খালে ভাসিয়ে দেওয়ার আগে শেষ লেখায় জার্মান শাসকদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে তিনি লিখেছিলেন: তোমরা বলছ ‘শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বার্লিনে!’ তোমাদের ‘শৃঙ্খলা’ বালির উপর তৈরি। আগামীকাল বিপ্লব ‘আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে, বের করবে তার হাতিয়ার,’ এবং তোমাদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে শঙ্খনিনাদে ঘোষণা করবে: আমি ছিলাম, আমি আছি, আমি থাকব! লাল ঝান্ডা পত্রিকার সম্পাদকীয়তে এই শঙ্খনিনাদের একদিন বাদেই ‘রেড রোজা’র শহীদীবরণ। ভ্লাদিমির লেনিনের কাছে রোজা ছিলেন‘ঈগলপ্রতিম’। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকে বিশ্বাসঘাতকদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে দৃঢ় লড়াই চালিয়েছিলেন দু’জনে। তাঁদের মধ্যে নির্দিষ্ট মতবিরোধ ছিল। আবার একইসঙ্গে ছিল আন্তর্জাতিক প্রলেতারিয় ঐক্য। শওকৎ ওসমানী যখন মস্কোর কমিন্টার্ন দপ্তরে স্তালিনের ঘরে প্রবেশ করেছিলেন, তখন দেওয়ালে মার্কস-এঙ্গেলসের সঙ্গেই দেখেছিলেন কার্ল লিবনেখেট আর রোজার প্রতিকৃতি। ইএমএসের ভাষায়, রোজার ‘ভ্রান্তিগুলি সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে সর্বহারা বিপ্লবের জন্য তিনি এক রোল মডেল।’ কমরেড ক্লারার কথায়, রোজা ‘ছিল একটি তরবারি, সে ছিল বিপ্লবের আগুন। আন্তর্জাতিক সমাজতন্ত্রের ইতিহাসে মহত্তম ব্যক্তিত্বদের একজন হয়ে থাকবে রোজা।’ ...more
৩০-সেপ্টেম্বর-২০২৪
উপনিবেশবাদ মুক্ত প্যালেস্তিনীয় চেতনা
হায়দার ঈদ
গাজা শহর। মাটিতে মিশে যাওয়া একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আমি। তাকিয়ে আছি দিগন্তের দিকে। এভাবেই বইটির শুরু। লেখার একেবারে শেষ পর্বে, যেখানে লেখকের বাড়ি, সেখানে বেপরোয়া বোমাবর্ষণ শুরু করে ইজরায়েলি বাহিনী। প্রাণ হাতে নিয়ে পরিবারসহ তাঁকে পালাতে হয় দক্ষিণে, রাফা শহরের দিকে। পিছনে তাড় করে বোমা-বৃষ্টি। তবু অকুতোভয়। বইয়ের কাজ শেষ করা এবং শুরুটা সাজিয়ে দেওয়ার কাজে ছিলেন অবিচল। একবুক সাহস আর প্রত্যয় নিয়ে ক্রমশ হারিয়ে যেতে থাকা ইন্টারনেট পরিষেবার মধ্যে পাঠিয়ে গিয়েছেন একের পর এক অডিও। বইটি সেই অর্থে, একদিকে যেমন ১৯৪৮ থেকে প্যালেস্তিনীয় ভূখণ্ডে ইজরায়েলি দখলদারির ফসল– তেমনই ২০০৮ থেকে এবং অতি সম্প্রতি গাজায় ইজরায়েলি বোমাবর্ষণের সরাসরি ধারাভাষ্য। যদিও, বইটি গাজায় ২০২৩ সালের বেপরোয়া আগ্রাসন নিয়ে নয়। এটি আসলেই অসলো-আত্মসমর্পণ, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান সূত্রের নামে সাম্রাজ্যবাদের বান্টুস্তান নির্মাণ নিয়ে তীক্ষ্ণ সমালোচনা। যেসব সংগঠন একসময় প্যালেস্তাইনের মুক্তির সংগ্রামে ঐতিহাসিকভাবে সমর্পিত প্রাণ ছিল, কীভাবে প্যালেস্তাইনের সংগ্রাম ও মুক্তির দাবিকে আড়ালে সরিয়ে রেখে– বিষয়টিকে নিছক প্রতীকে পরিণত করাটা তাদের নির্বিষ কার্যকলাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে– তারও স্বীকৃতি রয়েছে এই বইয়ে। ইতিহাসের এক নতুন পর্বে– প্যালেস্তিনীয় সংস্কৃতি, পরিচিতি সত্ত্বা এবং প্যালেস্তিনীয় জনগণের ভবিষ্যতের ওপর নেমে এসেছে এক অভূতপূর্ব চাপ। এই সময়ে উপনিবেশবাদ-মুক্ত প্যালেস্তিনীয় চেতনা দাবি করছে চেতনার-ও পরিবর্তন। লেখক হায়দার ঈদ গাজার আল-আসকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর-উপনিবেশ ও উত্তর-আধুনিক সাহিত্যের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। লিখেছেন ‘ওয়ার্ল্ডিং’ পোস্টমডার্নিজম: ইন্টারপ্রেটিভ পসিবিলিটিজ অফ ক্রিটিক্যাল থিয়োরি এবং কাউন্টারিং দ্য প্যালেস্টিনিয়ান নাকবা: ওয়ান স্টেট ফর অল-র মতো বই। ভাষান্তর করেছেন, সুচিক্কন দাস ...more
হায়দার ঈদ
গাজা শহর। মাটিতে মিশে যাওয়া একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আমি। তাকিয়ে আছি দিগন্তের দিকে। এভাবেই বইটির শুরু। লেখার একেবারে শেষ পর্বে, যেখানে লেখকের বাড়ি, সেখানে বেপরোয়া বোমাবর্ষণ শুরু করে ইজরায়েলি বাহিনী। প্রাণ হাতে নিয়ে পরিবারসহ তাঁকে পালাতে হয় দক্ষিণে, রাফা শহরের দিকে। পিছনে তাড় করে বোমা-বৃষ্টি। তবু অকুতোভয়। বইয়ের কাজ শেষ করা এবং শুরুটা সাজিয়ে দেওয়ার কাজে ছিলেন অবিচল। একবুক সাহস আর প্রত্যয় নিয়ে ক্রমশ হারিয়ে যেতে থাকা ইন্টারনেট পরিষেবার মধ্যে পাঠিয়ে গিয়েছেন একের পর এক অডিও। বইটি সেই অর্থে, একদিকে যেমন ১৯৪৮ থেকে প্যালেস্তিনীয় ভূখণ্ডে ইজরায়েলি দখলদারির ফসল– তেমনই ২০০৮ থেকে এবং অতি সম্প্রতি গাজায় ইজরায়েলি বোমাবর্ষণের সরাসরি ধারাভাষ্য। যদিও, বইটি গাজায় ২০২৩ সালের বেপরোয়া আগ্রাসন নিয়ে নয়। এটি আসলেই অসলো-আত্মসমর্পণ, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান সূত্রের নামে সাম্রাজ্যবাদের বান্টুস্তান নির্মাণ নিয়ে তীক্ষ্ণ সমালোচনা। যেসব সংগঠন একসময় প্যালেস্তাইনের মুক্তির সংগ্রামে ঐতিহাসিকভাবে সমর্পিত প্রাণ ছিল, কীভাবে প্যালেস্তাইনের সংগ্রাম ও মুক্তির দাবিকে আড়ালে সরিয়ে রেখে– বিষয়টিকে নিছক প্রতীকে পরিণত করাটা তাদের নির্বিষ কার্যকলাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে– তারও স্বীকৃতি রয়েছে এই বইয়ে। ইতিহাসের এক নতুন পর্বে– প্যালেস্তিনীয় সংস্কৃতি, পরিচিতি সত্ত্বা এবং প্যালেস্তিনীয় জনগণের ভবিষ্যতের ওপর নেমে এসেছে এক অভূতপূর্ব চাপ। এই সময়ে উপনিবেশবাদ-মুক্ত প্যালেস্তিনীয় চেতনা দাবি করছে চেতনার-ও পরিবর্তন। লেখক হায়দার ঈদ গাজার আল-আসকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর-উপনিবেশ ও উত্তর-আধুনিক সাহিত্যের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। লিখেছেন ‘ওয়ার্ল্ডিং’ পোস্টমডার্নিজম: ইন্টারপ্রেটিভ পসিবিলিটিজ অফ ক্রিটিক্যাল থিয়োরি এবং কাউন্টারিং দ্য প্যালেস্টিনিয়ান নাকবা: ওয়ান স্টেট ফর অল-র মতো বই। ভাষান্তর করেছেন, সুচিক্কন দাস ...more
১৮-জানুয়ারি-২০২৪
রাজনৈতিক মার্কস
আইজাজ আহমেদ
মার্কসের মতো একজন মহান চিন্তাবিদ, যাঁর বিপ্লবী মতাদর্শ যখন বিশ্বের উপর এমন নির্ণায়ক প্রভাব ফেলেছে, তখন এটা বেশ কৌতুকের যে তাঁর নিজের রাজনৈতিক লেখাগুলিই থেকে গিয়েছে চরম অবহেলিত। দারিদ্র্যের সংসারে মার্কসের জীবন যখন নিদারুণ অনটনে, তখন তাঁর রাজনৈতিক লেখাগুলিকে প্রায়শই দেখা হয়ে থাকে নিছক পাঠ্য হিসাবে– যেন শুধু অর্থ উপার্জনের জন্যই তিনি এসব লিখেছেন। অথবা, সেগুলিকে দেখা হয় কেবল সুখপাঠ্য লেখা হিসাবে, যার সঙ্গে তাঁর অর্থনৈতিক অধ্যয়ন ও অন্যান্য লেখাপত্রের যোগসূত্র নিতান্তই কম। প্রকৃতপক্ষে মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি শ্রেণিসংগ্রামের বিশ্লেষণে এবং এই সংগ্রামগুলি বুঝতে সাহায্য করার জন্য এক অভূতপূর্ব ভাষ্য। সাধারণভাবে মার্কসকে তাঁর অর্থনৈতিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে সংকীর্ণভাবে দেখা হয়। অথচ, মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি হলো তাঁর বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার মূল চাবিকাঠি। দ্য জার্মান ইডিওলজি, কমিউনিস্ট ইশ্তেহার, ল্যুই বোনাপার্টের অষ্টাদশ ব্রুমেয়ার এবং ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ। মার্কসের এই চারটি ধ্রুপদী অনন্য কাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কসবাদী চিন্তাবিদ আইজাজ আহমেদ। একজন প্রকৃত মার্কসবাদী বুদ্ধিজীবী। একাধারে সাহিত্যের তাত্ত্বিক, উপনিবেশবাদী চিন্তার সমালোচক, ইতিহাসবিদ এবং পরিচিতিসত্তার অনুসন্ধানকারী। যাঁর ধ্রুপদী বিশ্লেষণ, উত্তর-মার্কসবাদ আসলে প্রাক্-মার্কসবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়, মার্কসকে অতিক্রম করে ভাববাদে প্রত্যাবর্তন। আইজাজের সঙ্গী ছিলেন সাংবাদিক, রাজনৈতিক ভাষ্যকার এবং ইতিহাসবিদ বিজয় প্রসাদ। লেফটওয়ার্ড বুকসের সম্পাদক। ট্রাইকন্টিনেন্টাল: ইনস্টিটিউট ফর সোস্যাল রিসার্চের অধিকর্তা। আইজাজ আর বিজয়ের কথোপকথনই পরে প্রকাশ করে লেফটওয়ার্ড।দ্য পলিটিক্যাল মার্কস। বইটি এবারে মুজফ্ফর আহ্মদ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে। তারই ভাষান্তর প্রকাশ করছে মার্কসবাদী পথ, ‘রাজনৈতিক মার্কস’। ভাষান্তর করেছেন সৌভিক ঘোষ। ...more
আইজাজ আহমেদ
মার্কসের মতো একজন মহান চিন্তাবিদ, যাঁর বিপ্লবী মতাদর্শ যখন বিশ্বের উপর এমন নির্ণায়ক প্রভাব ফেলেছে, তখন এটা বেশ কৌতুকের যে তাঁর নিজের রাজনৈতিক লেখাগুলিই থেকে গিয়েছে চরম অবহেলিত। দারিদ্র্যের সংসারে মার্কসের জীবন যখন নিদারুণ অনটনে, তখন তাঁর রাজনৈতিক লেখাগুলিকে প্রায়শই দেখা হয়ে থাকে নিছক পাঠ্য হিসাবে– যেন শুধু অর্থ উপার্জনের জন্যই তিনি এসব লিখেছেন। অথবা, সেগুলিকে দেখা হয় কেবল সুখপাঠ্য লেখা হিসাবে, যার সঙ্গে তাঁর অর্থনৈতিক অধ্যয়ন ও অন্যান্য লেখাপত্রের যোগসূত্র নিতান্তই কম। প্রকৃতপক্ষে মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি শ্রেণিসংগ্রামের বিশ্লেষণে এবং এই সংগ্রামগুলি বুঝতে সাহায্য করার জন্য এক অভূতপূর্ব ভাষ্য। সাধারণভাবে মার্কসকে তাঁর অর্থনৈতিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে সংকীর্ণভাবে দেখা হয়। অথচ, মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি হলো তাঁর বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার মূল চাবিকাঠি। দ্য জার্মান ইডিওলজি, কমিউনিস্ট ইশ্তেহার, ল্যুই বোনাপার্টের অষ্টাদশ ব্রুমেয়ার এবং ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ। মার্কসের এই চারটি ধ্রুপদী অনন্য কাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কসবাদী চিন্তাবিদ আইজাজ আহমেদ। একজন প্রকৃত মার্কসবাদী বুদ্ধিজীবী। একাধারে সাহিত্যের তাত্ত্বিক, উপনিবেশবাদী চিন্তার সমালোচক, ইতিহাসবিদ এবং পরিচিতিসত্তার অনুসন্ধানকারী। যাঁর ধ্রুপদী বিশ্লেষণ, উত্তর-মার্কসবাদ আসলে প্রাক্-মার্কসবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়, মার্কসকে অতিক্রম করে ভাববাদে প্রত্যাবর্তন। আইজাজের সঙ্গী ছিলেন সাংবাদিক, রাজনৈতিক ভাষ্যকার এবং ইতিহাসবিদ বিজয় প্রসাদ। লেফটওয়ার্ড বুকসের সম্পাদক। ট্রাইকন্টিনেন্টাল: ইনস্টিটিউট ফর সোস্যাল রিসার্চের অধিকর্তা। আইজাজ আর বিজয়ের কথোপকথনই পরে প্রকাশ করে লেফটওয়ার্ড।দ্য পলিটিক্যাল মার্কস। বইটি এবারে মুজফ্ফর আহ্মদ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছে। তারই ভাষান্তর প্রকাশ করছে মার্কসবাদী পথ, ‘রাজনৈতিক মার্কস’। ভাষান্তর করেছেন সৌভিক ঘোষ। ...more
২১-সেপ্টেম্বর-২০২৩
গ্রামশির চিন্তা
ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ , পি. গোবিন্দ পিল্লাই
কেরালার দেশাভিমানি পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক পি গোবিন্দ পিল্লাই যখন তাঁর হাতে প্রথম গ্রামশির ‘প্রিজন নোটবুকস’ তুলে দিয়েছিলেন, তখন তার একাংশ পড়ে ঠাট্টার ছলে বকুনি দিয়ে ইএমএস বলেছিলেনঃ ‘কেন দশ বছর, বা তারও আগে বইটা দিলে না’। কারণ, বইটিতে উচ্চমানের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দেখে ইএমএস রীতিমতো বিস্মিত। আটের দশকের গোড়ায় পিল্লাইকে ডেকে ইএমএস গ্রামশিকে নিয়ে একটি বই লিখতে বলেন। শুনে পিল্লাই বলেন তিনি একমাত্র তখনই তা করতে পারেন, যদি ইএমএস লেখেন তাঁর সঙ্গে। এরপর তাঁরা দু’জনে কাজ শুরু করেন। তার প্রথম ফসল প্রকাশ পায় ‘দ্য মার্কসিস্ট’ পত্রিকায়। ১৯৯৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর সংখ্যায়। পরের বছর ইএমএস এবং পিল্লাই দুজনে মিলে মালয়ালাম ভাষায় একটি পুরো বই প্রকাশ করেন ‘গ্রামশির চিন্তা’ নিয়ে। চিন্তা পাবলিশার্সের প্রকাশনা। ‘গ্রামশিয়ান বিচারা বিপ্লবম’। সম্প্রতি লেফটওয়ার্ডের প্রকাশনায় বইটির ইংরেজি ভাষান্তর করেছেন পিল্লাই-পুত্র এমজি রাধাকৃষ্ণান। তা থেকে মার্কসবাদী পথের জন্য বাংলায় ভাষান্তর করেছেন সৌভিক ঘোষ। ...more
ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ , পি. গোবিন্দ পিল্লাই
কেরালার দেশাভিমানি পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক পি গোবিন্দ পিল্লাই যখন তাঁর হাতে প্রথম গ্রামশির ‘প্রিজন নোটবুকস’ তুলে দিয়েছিলেন, তখন তার একাংশ পড়ে ঠাট্টার ছলে বকুনি দিয়ে ইএমএস বলেছিলেনঃ ‘কেন দশ বছর, বা তারও আগে বইটা দিলে না’। কারণ, বইটিতে উচ্চমানের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ দেখে ইএমএস রীতিমতো বিস্মিত। আটের দশকের গোড়ায় পিল্লাইকে ডেকে ইএমএস গ্রামশিকে নিয়ে একটি বই লিখতে বলেন। শুনে পিল্লাই বলেন তিনি একমাত্র তখনই তা করতে পারেন, যদি ইএমএস লেখেন তাঁর সঙ্গে। এরপর তাঁরা দু’জনে কাজ শুরু করেন। তার প্রথম ফসল প্রকাশ পায় ‘দ্য মার্কসিস্ট’ পত্রিকায়। ১৯৯৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর সংখ্যায়। পরের বছর ইএমএস এবং পিল্লাই দুজনে মিলে মালয়ালাম ভাষায় একটি পুরো বই প্রকাশ করেন ‘গ্রামশির চিন্তা’ নিয়ে। চিন্তা পাবলিশার্সের প্রকাশনা। ‘গ্রামশিয়ান বিচারা বিপ্লবম’। সম্প্রতি লেফটওয়ার্ডের প্রকাশনায় বইটির ইংরেজি ভাষান্তর করেছেন পিল্লাই-পুত্র এমজি রাধাকৃষ্ণান। তা থেকে মার্কসবাদী পথের জন্য বাংলায় ভাষান্তর করেছেন সৌভিক ঘোষ। ...more
১২-জানুয়ারি-২০২৩
আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
সাম্প্রতিক নিবন্ধ
২০-মে-২০২৬
১৯-মে-২০২৬
১৯-মে-২০২৬
১৭-মে-২০২৬
১৫-মে-২০২৬
১৪-মে-২০২৬
