সাম্প্রতিক সংখ্যা

মার্কসবাদী পথ প্রকাশনা

আপনি এখন ব্যাংক UPI / ফোনপে / গুগল পের মাধ্যমে মার্কসবাদী পথকে ডোনেশন দিতে পারেন।You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
নিঃশর্ত সিএএ: সোনার পাথরবাটি
শুভ প্রসাদ নন্দী মজুমদার
সিএএ আসতেই মমতা ২০০৩ সালের অবস্থান থেকে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেলেন। সেই সময়ে বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা বাংলাদেশীতে ভরে গেছে। সিএএ আসার পর বলেছেন ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা সবাই প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক। যতক্ষণ জীবিত আছি ততক্ষণ সিএএ হতে দেব না। অতি সম্প্রতি আবার ভোলবদল। শর্ত তুলে নিলেই সিএএ-কে সমর্থনের কথা। শর্ত তুলে নেওয়ার কথার কি আদৌ কোনো অর্থ হয়? সোজা উত্তর, অর্থ হয় না।

হঠাৎ করেই পরপর দু’দিনে তৃণমূলের দুই শীর্ষতম নেতানেত্রী বলে বসলেন, মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দিলে সিএএ-তে পূর্ণ সমর্থন জানাবে তৃণমূল। যাঁরাই শুনেছেন তাঁরাই চমকে উঠেছেন। কারণ এই দু’দিন আগেও নির্বাচনী জনসভাগুলিতে এই দুই নেতানেত্রীই উচ্চতম স্বরে জনগনকে আশ্বস্ত করেছিলেন, এ রাজ্যে সিএএ বাস্তবায়িত করতে হলে তাদের মৃতদেহের উপর দিয়েই করতে হবে। এছাড়া অনুগত শিল্পী বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে ‘ক্যা ক্যা ছি ছি’-ও মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি। অন্যদিকে বিপুল ঢাকঢোল পিটিয়ে হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় সরকার জানালো, সিএএ আইনের মাধ্যমে ১৪ জন শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা বাহুল্য, এই শরণার্থীদের কেউই মতুয়া বা পূর্ববঙ্গ থেকে ভারতে এসে দীর্ধদিন ধরে বসবাস করা উদ্বাস্তু নয়। এদের প্রত্যেকেই পাকিস্তানি হিন্দু, যারা বৈধ উপায়ে ভারতে প্রবেশ করে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘকালীন ভিসার জন্যে আবেদন করেছে। এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর নাগরিকত্বের আবেদন করে এখন নাগরিকত্ব পেলেন। সিএএ না থাকলেও ভারতের প্রচলিত আইনেই তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া যেতো। সেই ব্যবস্থা রয়েছেই। তফাৎ একটাই, শুধু অতিরিক্ত কয়েকটা বছর তাদের অপেক্ষা করতে হত সেক্ষেত্রে। এতদিনকার নাগরিকত্ব আইনে অনেক বছর ধরেই পাকিস্তানি হিন্দুরা, এমনকী পাকিস্তানী মুসলিম গায়ক আদনান শামীও ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। শুধু পাকিস্তান নয়, পৃথিবীর যে কোনও দেশ থেকে আসা যে কোনও ধর্মের আশ্রয়প্রার্থীই নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারে ভারতের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী।
সিএএ কোনও সমাধান নয়। বরং একটি সমস্যা।
এছাড়া মতুয়া বা পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের সমস্যার সমাধান এই আইনে হয় না। আসামের এনআরসি ছুট ১৯ লক্ষ মানুষ বা আধার বঞ্চিত আরো ৬ লক্ষ মানুষেরও সিএএ-এর মাধ্যমে নাগরিকত্বের সমস্যার সমাধান হবে না।
মতুয়াদের নাগরিকত্বের সমস্যাটি আসলে কী? বেশিরভাগ মানুষই সেটা বোঝেন না। না বোঝারই কথা। কারণ যারা দশকের পর দশক ধরে এই দেশে রয়েছেন, ভোট দিচ্ছেন, নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন, চাকরি করছেন, ব্যবসা করছেন, যাঁদের আধার আছে, প্যান আছে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে, তাদের আবার নতুন করে নাগরিকত্বের কী প্রয়োজন? নাগরিক না হলে কি তারা এই অধিকারগুলি ভোগ করতেন? আসলে সমস্যাটি সিএএ-তে নয়। আরো আগে। সমস্যার জন্ম হয়েছিল ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়া পর। ওই আইন এনেছিল বাজপেয়ী সরকার যার মন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুপ্রবেশকারীতে দেশ ভরে গিয়েছে বলে তখন হইচই করছে বিজেপি সারাদেশে। উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বঙ্গভাষী মানুষ দেখলেই, বিশেষ করে গরিব অংশের বঙ্গভাষী মানুষ দেখলেই তাদেরকে বাংলাদেশী বলে চিহ্নিত করা শুরু তখন। সেই বঙ্গভাষী যদি মুসলিম হয় তবে আর কথাই নেই। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, মালদা বা বীরভূম হলেও তাদেরকে ‘বাংলাদেশী’ বলে দেগে দিয়ে নানা ধরনের হেনস্থার ঘটনা ঘটতে থাকে। অনুপ্রবেশকারী মানেই মুসলিম, এমন একটি ধারণা দিয়ে বিজেপি সারা দেশে নাগরিকত্বের রাজনীতির সুর চড়িয়ে দেয়।
মমতাও বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় বিপুল সংখ্যায় বাংলাদেশীর নাম ঢুকে রয়েছে। ২০০৩ সালের সংশোধনী মন্ত্রীসভায় যখন আলোচনা হল তখন সর্বাগ্রে তাতে সমর্থন জানান মমতা ব্যানার্জী। সেই আইনে বলা হল, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারির পর যারাই ভারতে এসেছে নথিপত্র ছাড়া তারা সকলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। শুধু তারাই অনুপ্রবেশকারী না, এদেশে তাদের যে বংশধররা জন্ম নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে নেবে তারা সকলেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। এদের কেউ কখনো নাগরিকত্বের জন্যে আবেদনই করতে পারবে না। বলা হল, এদেরকে চিহ্নিত করে আলাদা করে প্রকৃত ভারতীয়দের একটি নাগরিক পঞ্জী তৈরি করে সচিত্র নাগরিক পরিচিতিপত্র দেওয়া হবে। যাদের নাম বাদ পড়বে তাদের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালের ভারতীয় পাসপোর্ট আইন ও ১৯৪৬ সালের বিদেশি নাগরিক আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখে বলা হয়েছিল ‘মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আইন পাশ হতেই এক ধাক্কায় ১৯৫০ সালের পর আসা পূর্ববঙ্গের সমস্ত উদ্বাস্তু ও তাদের বংশধররা কার্যত নাগরিকত্ব হারিয়ে ফেলল। মতুয়া অঞ্চলগুলি বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। মুখে যারা নিজেদের হিন্দুদের পরিত্রাতা বলে বেড়ায় সেই বিজেপির আনা আইনেই নাগরিকত্ব হারানোর মুখে এসে দাঁড়িয়ে গেল হিন্দু উদ্বাস্তুরা। জাতীয় নাগরিক পঞ্জী তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হলেই তাদের নাগরিকত্ব হরণ শুরু হবে। অনশন মিছিলে উদ্বাস্তু অঞ্চলগুলি উত্তাল হয়ে উঠতেই ঘাতক বিজেপি ও মমতা হঠাৎ করে পূজারী হয়ে গেল। হিন্দু মুসলিম বিভাজনের লক্ষ্য নিয়ে বিজেপি বাজারে নিয়ে এলো অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থী তত্ত্ব। বলল, তাড়ানো হবে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের, আর নিঃশর্তে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে শুধু বর্তমানে ভারতে থাকা উদ্বাস্তুদের নয়, ভবিষ্যতে যারা আসবে তাদেরও। বলা শুরু হল নতুন আইন আসছে। সেই নতুন আইনের খুড়োর কল দেখিয়ে বিজেপি নির্বাচনী সমর্থন বাড়িয়ে নিলে উদ্বাস্তুদের মধ্যে। বহু টালবাহানার পর এলো সিএএ-এর পূর্বজ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল, ২০১৬ যেখানে দেখা গেল উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদান নিয়ে কোনো কথাই নেই। শুধু অনুপ্রবেশকারীর তকমাটি তুলে নেওয়া হয়েছে আফগানিস্থান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের উপর থেকে। আর প্রচলিত আইনে আবেদন করার সময়কে এগারো বছর থেকে কমিয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে মাত্র। ভবিষ্যতের উদ্বাস্তুদের জন্যও নাগরিকত্বের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর-এ। এই জটিলতা নিয়ে উদ্বাস্তুদের ক্ষোভ দেখার পর এতদিন ধরে বিজেপি বলে এসেছে লোকসভা নির্বাচনের আগেই সিএএ-এর আদেশনামা বেরোবে যেখানে সমস্ত উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব পাওয়াটা জলের মত পরিষ্কার হয়ে যাবে। সিএএ আসতেই মমতা ২০০৩ সালের অবস্থান থেকে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেলেন। সেই সময়ে বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা বাংলাদেশীতে ভরে গেছে। সিএএ আসার পর বলেছেন ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা সবাই প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক। যতক্ষণ জীবিত আছি ততক্ষণ সিএএ হতে দেব না। অতি সম্প্রতি আবার ভোলবদল। শর্ত তুলে নিলেই সিএএ-কে সমর্থনের কথা। শর্ত তুলে নেওয়ার কথার কি আদৌ কোনো অর্থ হয়? সোজা উত্তর, অর্থ হয় না।
কারণ, সিএএ আইনটি তৈরিই হয়েছে কতগুলি শর্তের উপর ভিত্তি করে। সেই শর্ত বাদ দিলে এই আইনের কোনো অস্তিত্বই থাকে না। কী সেই শর্ত? এই আইন একমাত্র প্রযোজ্য,
ক) হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, শিখ ও পার্সি ধর্মাবলম্বী যে মানুষেরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের শিকার হয়ে আফগানিস্থান, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে বা বৈধভাবে প্রবেশ করে থাকলেও ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর নিজের দেশে ফিরে যায় নি।
খ) তিনটি ভিন্ন ভিন্ন নথির মাধ্যমে আবেদনকারীদের প্রমাণ করতে হবে কেন তারা এই আইনের সুযোগ নিয়ে নাগরিকত্বের জন্যে আবেদন করতে পারবে।
এই আইনের মূল প্রতিপাদ্য যুক্তিহীন ও আদর্শগতভাবে এটা সংবিধান বিরোধী।
১) যুক্তিহীন বলা হচ্ছে এই কারণে যে, ভারতের নাগরিকত্ব আইনে ইতিমধ্যেই অন্য দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের তালিকাভুক্তি বা স্বাভাবিকীকরণ, এই দুই পদ্ধতির যে কোনা একটির মাধ্যমে নাগরিকত্বের জন্যে আবেদন করার ব্যবস্থা রয়েছে। দ্বিতীয়ত, দেশভাগের বলি ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার উপমহাদেশের সংখ্যালঘুদের জন্যে বিশেষ সুযোগের কথা বলা হলে, এতে আফগানিস্থান অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কোনো যুক্তি নেই। কারণ আফগানিস্থান ব্রিটিশ শাসিত অবিভক্ত ভারতে আফগানিস্থান অন্তর্ভুক্ত ছিল না। উপমহাদেশ বললে আফগানিস্থানের নাম আসে না। বরং ব্রিটিশ শাসিত অখণ্ড ভারতের অংশ শ্রীলঙ্কা ও মায়ানমারে অভ্যন্তরীণ জাতিগত হিংসাত্মক ঘটনায় বিভিন্ন ধর্মের যে ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়িত হয়েছে, এই আইনে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
২) এই আইন সংবিধান বিরোধী কারণ এতে ধর্মীয় পরিচয়কে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির শর্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা ভারতীয় সংবিধানের সমতার আদর্শের বিরোধী।
এখন সমাধান কী? সিএএ থেকে শর্ত তুলে দেওয়া শুধু? উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের সমস্যার সমাধান করতে হলে সিএএ নয়, ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনটিই বাতিল করতে হবে। সমস্ত সমস্যার শেকড় সেখানে।
বাতিল করতে হবে সিএএ-কেও, কারণ এই আইন কোনও সমস্যার সমাধান আনেনি, বরং ভারতের বা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম সহ অন্যান্য নিপীড়িত মানুষের দিকে বৈষম্যের দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে যা ভারতের সংবিধানের মৌল আদর্শের বিরোধী।
বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া কখনো বাইরের দেশ থেকে বিপুল সংখ্যায় মানুষ ভারতে আসে না। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিপুল সংখ্যায় শরণার্থীরা এসেছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশটি সেখানে ফিরে গেছে। একটা অংশ থেকে গেছে। পৃথিবীর সব অঞ্চলেই এমন হয়। মানুষ দলবেঁধে অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সকলে ফিরে যায় না। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যাটি একটি রাজনৈতিক নির্মান। মূলত একটি উত্তর-সত্য। বরং দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি রাজ্য থেকে যে বিপুল সংখ্যায় মানুষ অবৈধ পথে উন্নত বিশ্বে পাড়ি দেয় সেটা অনেক বড় সমস্যা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ পরিবারের সমস্ত সঞ্চিত ধন ও বিপুল ঋণ করে আদম ব্যাপারীদের চল্লিশ পঞ্চাশ লক্ষ টাকা দেওয়ার বিনিময়ে ‘ডাংকি’ পথ বলে পরিচিত দুর্গম পাহাড়, মরুভূমি, ডিঙি নৌকোয় দুরন্ত সাগর পারাপারের অবৈধ অভিবাসনের পথ দিয়ে মাসের পর মাস অনাহারে অনিদ্রায় বিভিন্ন দেশের সীমান্ত প্রহরীদের বন্দুক গুলির মধ্য দিয়ে পশ্চিমী দুনিয়ায় পাড়ি দেয়। কতজন মাঝপথে প্রাণ হারায়, কতজন গন্তব্যে পৌঁছয় তার হিসেব পাওয়া মুশকিল। গত বছর শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই অবৈধ পথে প্রবেশ করতে গিয়ে ৯০,০০০ ভারতীয় মার্কিন সীমান্তরক্ষীদের হাতে ধরা পড়েছে। দেশের অভ্যন্তরে দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধান করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নতি ঘটাতে না পারলে এই সমস্যার সমাধান নেই।
গোড়ার কথায় ফিরি। এবার নিশ্চয়ই বোঝা গেল, মমতা ও অভিষেক কেন হঠাৎ আবার ভোলবদল করলেন সেটার কারণ মতুয়াদের নাগরিকত্ব নয়। নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল মালুম হতেই আবার বিজেপি জোটের পুরোনো বাড়িতে ফিরে যাওয়ার একটা প্রাথমিক বার্তা মাত্র সেটি।
আরও পড়ুন: সিএএ: লক্ষ্য আসলে মেরুকরণ
সিএএ: বিধির বিপদ
প্রকাশের তারিখ: ১৭-মে-২০২৪
You can now donate to Marxbadi Path through UPI of various apps or payment apps like PhonePay/GooglePay
