|
প্রতিহত করুন হিন্দুত্ব রাষ্ট্র গড়ার চেষ্টা! পরাস্ত করুন বিজেপিকে!ওয়েব ডেস্ক মার্কসবাদী পথ |
২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন একটা মোড় ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই অনুষ্ঠান করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় মদতে। এখানে প্রধান পুরোহিতের ভূমিকা পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আসলে এই ঘটনা হল রাষ্ট্র এবং ধর্মের একীকরণ বা রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে দেওয়া। বিজেপি-আরএসএস এর নববিধানে ধর্মনিরপেক্ষ নীতিমালার ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ নেমে আসছে। মতাদর্শগত, প্রশাসনিক এবং সাংবিধানিক পরিসর — সর্বত্র একটাই লক্ষ্য অনুসরণ করা হচ্ছে এবং তা হল ভারতীয় রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ধ্বংস করা। |
মোদি সরকারের ১০ বছরের শাসনে ভারতীয় রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের ওপর গুরুতর আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়েছে এবং এই রাষ্ট্র যাতে আর ধর্মনিরপেক্ষ না থাকে সেই লক্ষ্যেও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের, বিশেষত মুসলিম সম্প্রদায়কে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করে, এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করার প্রয়াস চালানোর মাধ্যমে বিজেপি-আরএসএস তাদের হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক মতাদর্শ এদেশে কার্যকর করতে চাইছে। বিভিন্ন ধরনের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন সংখ্যালঘুদের ওপর হিংস্র আক্রমণ নামিয়ে এনেছে এবং একাজে তাদের মদত ও নিরাপত্তা দিয়েছে বিজেপি-পরিচালিত রাজ্য সরকারগুলি। এসবই আমাদের সংবিধানে বিধৃত ধর্মনিরপেক্ষ নীতিমালার ওপর খুবই গুরুতর ধরনের আক্রমণ। এবং বিজেপি ক্ষমতায় ফিরে এলে তারা যে এদেশে হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং এসব কার্যকলাপ যে তারই সূচনামাত্র, সেই হুমকিও দিতে শুরু করেছে আরএসএস-বিজেপি। রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন একটা মোড় ফেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই অনুষ্ঠান করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় মদতে। এখানে প্রধান পুরোহিতের ভূমিকা পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আসলে এই ঘটনা হল রাষ্ট্র এবং ধর্মের একীকরণ বা রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে দেওয়া। একইসঙ্গে এ ঘটনা হল ধর্মনিরপেক্ষ নীতির মৌলিক লঙ্ঘন এবং তা করা হয়েছে অন্য সমস্ত ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপরে হিন্দু ধর্মকে বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থানে প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে দিয়ে। রাম মন্দিরের অভিষেক পর্ব সম্পর্কে সংসদে গৃহীত প্রস্তাবের পর ক্যাবিনেটের প্রস্তাবেও একথা প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া হয়েছে যে, এই মন্দির হল ‘জাতীয় চেতনার প্রতীক’ এবং ‘উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের দেশের যাত্রাপথে একটি অবিস্মরণীয় মুহুর্ত’। এভাবে একটি ধর্মীয় স্থানকে এমন উচ্চমার্গে তুলে দেওয়া হয়েছে যে, যেন সেটাই হয়ে উঠবে ‘ভারতের ভবিষ্যৎদৃষ্টি, দর্শন ও চলার পথ’-এর প্রতীক। আরএসএস এবং হিন্দুত্বের পক্ষের শক্তিগুলি চেষ্টা চালাচ্ছে কাশীর জ্ঞানবাপী মসজিদ এবং মথুরার ইদগাকে মন্দিরে পরিণত করতে। প্রশাসনিক এবং বিচারবিভাগীয় যোগসাজসে এবং প্লেসেস অফ ওয়ারশিপ (স্পেশাল প্রভিসনস) অ্যাক্ট ১৯৯১-কে লঙ্ঘন করেই এই কাজ করা হচ্ছে। নাগরিকত্বের শর্ত হিসাবে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে ধর্মীয় পরিচিতিকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মোদি সরকার সংসদে নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন পাস করায়। এটা এমন একটা আইন যা ধর্মীয় পরিচিতির সঙ্গে নাগরিকত্বের বিষয়টি জুড়ে দিয়ে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ধর্মনিরপেক্ষ ধারণাটিকেই খারিজ করছে। অবৈধ তকমা পাওয়া লোকজন যারা প্রতিবেশি দেশগুলি থেকে আইনসিদ্ধ নথিপত্র ছাড়াই এদেশে পরিযায়ী হয়ে এসেছেন , যদি তাঁরা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হন, তাহলে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে পরিয়ায়ী হয়ে আসা মুসলিমরা নাগরিকত্ব পাবেন না। ২০২৪ সালের ১১ মার্চ এই আইনের বিধিগুলি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এবং সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির ঠিক আগেই। সিএএর পাশাপাশি, মোদি সরকার চাইছে জনগণনা সমীক্ষার সময় জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধনকে (ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার) আরও সংশোধন (আপডেট) করতে এবং একটি জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস) তৈরি করতে। একাজে সরকারি আধিকারিকদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তাঁরা ভারতে বসবাসকারী নাগরিকদের পূর্বতন ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য যাচাই করতে পারবেন। এবং এক্ষেত্রেও সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকদেরই স্ক্রুটিনির আওতায় আনা হবে। সংখ্যালঘু-বিরোধী একগুচ্ছ আইন বিভিন্ন রাজ্য সরকার এমন সব আইন পাস করিয়েছে যেগুলির নিশানা আসলে সংখ্যালঘুরা। এই সব আইনের মধ্যে রয়েছে গোহত্যা বন্ধ করার একাধিক আইন যা জারি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটকে। জোর করে ধর্মান্তরকরণের বিরুদ্ধে এবং তথাকথিত লাভ জিহাদের বিরুদ্ধেও আইন জারি করা হয়েছে। এই ধরনের আইন জারি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ,গুজরাট, হরিয়ানা, ছত্তিসগড়, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক ও উত্তরাখণ্ডে। এই সব আইনগুলিই ব্যবহার করা হচ্ছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ব্যবহার করা হচ্ছে যারা গবাদি পশু বেচাকেনা করেন এবং মাংস বিক্রি করেন তাঁদের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে ভিনধর্মে বিয়ে করার জন্য বহু তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডে জারি করা হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি)। চরিত্রের দিক থেকে এই বিধি আসলে সংখ্যাগুরুদের স্বার্থই দেখে এবং এই বিধি অভিন্নও নয়, দেওয়ানিও নয়। বিজেপির পরিকল্পনা রয়েছে অন্য আরও বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিও যাতে এধরনের বিধি কার্যকর করে। দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক কার্যক্ষেত্রে প্রথমে নজরদারির দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবকেরা মুসলিমদের জীবনধারনের উপায়গুলিকে নিশানা করছে, যেমন গবাদি পশুর ব্যবসা কিংবা মাংসের দোকান। এভাবে মুসলমিদের বিরুদ্ধে গোহত্যা কিংবা গোমাংস বিক্রির অভিযোগ আনা হচ্ছে। এর পরবর্তীতে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে জারি হওয়া আইনগুলি কার্যকর করে গবাদি পশু কেনাবেচা ও মাংসের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। যেসব মুসলিম হকারি কিংবা অটোরিক্সা চালানোর পেশায় রয়েছেন তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে মধ্যপ্রদেশে (ইন্দোর), রাজস্থানে ও উত্তরপ্রদেশে। এই হামলার ফলে আক্রান্তরা তাঁদের পেশা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশে,হরিয়ানা, দিল্লি এবং মধ্যপ্রদেশে তথাকথিত অপরাধের অভিযোগ এনে অভিযুক্ত মুসলিমদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা একটা নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, হরিয়ানা প্রশাসন নুহতে ১২০৮টি ভবন ও কাঠামো একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতন যানবাহনে চাপিয়ে গবাদি পশু নিয়ে যাওয়ার জন্য কিংবা গোমাংস নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্রেফ এই সন্দেহে লোকজনকে ধরে ফেলে রাস্তায় পিটিয়ে খুন করাটা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে উঠেছে। এধরনের ঘটনা প্রথম ঘটে যখন ২০১৫ সালে যখন (উত্তরপ্রদেশের) দাদরিতে মহম্মদ আখলাককে পিটিয়ে মারা হয়। এরপর থেকে উম্মত্ত জনতার হাতে পিটিয়ে খুনের ঘটনা চক্রাকারে বেড়ে চলেছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংবাদপত্রে এখবর উঠে এসেছে যে শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই ১০৭টি পিটিয়ে খুনের ঘটনা ঘটেছে। উন্মত্ত জনতার হাতে পিটিয়ে খুনের ঘটনার কোনও সরকারি রেকর্ড নেই এবং ২০১৭ সালেই হেট ক্রাইম বা ঘৃণাজনিত অপরাধের সংখ্যাতথ্য সংগ্রহও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে ঘৃণাভাষণ সংক্রান্ত কিছু সংখ্যাতথ্য পাওয়া যায় যা তৈরি করা হয়েছে ঘৃণাভাষণ এবং এই ধরনের কাজকর্মের বিরুদ্ধে জারি হওয়া মামলাগুলির তথ্য এক জায়গায় জড়ো করে। ধর্ম, জাতপাত, জন্মস্থান ইত্যাদি ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে এই সব ঘৃণাভাষণের ঘটনা ঘটেছিল। ভারতীয় ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৫৩এ ধারায় নথিবদ্ধ হওয়া এই সব ঘটনাগুলিকে এক জায়গায় সংকলিত করেছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি) । সেই নথিতে দেখা যাচ্ছে, ২০২১ সালে ঘৃণা ভাষণের ৯৯৩টি ঘটনা ঘটেছিল যা ২০২২ সালে বেড়ে হয় ১৪৪৪টি। এক বছরে বৃদ্ধির হার ৪৪ শতাংশ। রাম নবমীর শোভাযাত্রা হয়ে দাঁড়িয়েছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসা উস্কে দেওয়ার আরেকটি উপায়। এই ধরনের শোভাযাত্রাগুলি নিয়ে যাওয়া হয় সংখ্যালঘু এলাকার মধ্যে দিয়ে। শোভাযাত্রা মসজিদের সামনে এলেই সজোরে গান বাজিয়ে দেওয়া হয় এবং উস্কানিমূলক স্লোগান তোলা হয়। এরপর পরিকল্পনা করে দুপক্ষের মধ্যে সঙ্ঘর্ষ লাগিয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনাকে অজুহাত করে পুলিশ মুসলিমদের গ্রেপ্তার করে জেলে পুরে দেয়। ২০২২ এবং ২০২৩ সালে রাম নবমীর শোভাযাত্রা চলাকালীন এধরনের হিংসার ঘটনা ঘটেছে বিহার, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট ও ছত্তিশগঢ়ে। নিশানা করা হচ্ছে খ্রিস্টান সংখ্যালঘুদেরও। ইউনাইটেড খ্রিস্টান ফোরামের (ইউসিএফ) দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালে গির্জা, গির্জার যাজক এবং গির্জার জমায়েতগুলির ওপর ৭২০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে তুলনীয় তথ্যগুলি হল এধরনের হামলা ২০১৪, ২০২১ এবং ২০২২ সালে হয়েছে যথাক্রমে ১৪৭টি, ৫০৫টি এবং ৫০৯টি। শিক্ষা ব্যবস্থাকেই বদলে দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকার, দুই স্তরেই স্কুলপাঠ্য ইতিহাস বইগুলি নতুন করে লেখানোর পরিকল্পিত প্রয়াস চলছে। জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করার অজুহাতে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং হিন্দুত্বের মতাদর্শ পাঠ্যক্রম এবং সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে, সংখ্যালঘু, এমনকি মাদ্রাসা দ্বারা পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ওপরও আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়েছে। হিন্দুত্ব রাষ্ট্র গড়ার পথে বিজেপি-আরএসএস এর নববিধানে ধর্মনিরপেক্ষ নীতিমালার ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ নেমে আসছে, তা সে সাংবিধানিক মূল্যবোধই হোক, কিংবা রাষ্ট্র কোনও ধর্মকেই প্রাধান্য দেবে না - এই নীতিই হোক কিংবা সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করাই হোক। মতাদর্শগত, প্রশাসনিক এবং সাংবিধানিক পরিসর — সর্বত্র একটাই লক্ষ্য অনুসরণ করা হচ্ছে এবং তা হল ভারতীয় রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ধ্বংস করা। বিজেপি লোকসভা ও রাজ্যসভা — দুই কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান বদলে দেওয়া হবে, এখন এমন কথাও বলা হচ্ছে। যদি মোদি সরকার এবং বিজেপি ক্ষমতায় থেকে যায় তা হলে সেটা হবে ধর্মনিরপেক্ষতার পরিসমাপ্তি এবং তখন ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ নির্মাণ করা হবে। আমাদের প্রজাতন্ত্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র, যেখানে ধর্মীয় আনুগত্য ব্যতিরেকেই সব নাগরিকের সমান মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার স্বীকৃত, তাকে রক্ষা করার পূর্বশর্তই হল লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করা।
প্রকাশের তারিখ: ১৮-মার্চ-২০২৪ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |