|
সঙ্কটে গণতন্ত্র! পরাস্ত করুন বিজেপিকে!ওয়েব ডেস্ক মার্কসবাদী পথ |
গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ এবং গণতন্ত্রকে সংকুচিত করে তোলার শিকড় রয়েছে হিন্দুত্ব-কর্পোরেট জোটের মধ্যে। নয়া উদারবাদী নীতি আরও বেশি কার্যকর করা এবং সমাজের ওপর হিন্দুত্বের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেওয়া — এই দুই তাগিদ থেকেই দরকার হয়ে পড়ে একেবারে উচ্চমাত্রার স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের। মোদী সরকারই হল হিন্দুত্ববাদী স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের দৃষ্টান্তস্বরূপ। এই জমানা গণতন্ত্রের পক্ষে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে ধারাবাহিক এবং সম্ভাব্য আশঙ্কা ও উদ্বেগের কারণ। |
মোদী সরকারের শেষ ১০ বছরে দেশের গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক অধিকারগুলির ওপর নেমে এসেছে নজিরবিহীন আক্রমণ। যদি এই প্রবণতা বজায় থাকে, তাহলে ভারত হয়ে থাকবে নেহাতই আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্রের একটি দেশ এবং আসলে হয়ে উঠবে পুরোপুরি একটা স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশের সংবিধান আমাদের দিয়েছে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় শাসন পরিষদ (সরকার) সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ। সংসদের প্রণয়ন করা বিধানই দেশের আইন হিসাবে স্বীকৃতি পায় এবং কার্যকর হয়। যেসব আইন প্রণয়নের জন্য সংসদে প্রস্তাব হিসাবে পেশ করা হয়, সেগুলি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সংসদীয় কমিটিগুলি। ২০১৯ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত আইনপ্রণয়ন সংক্রান্ত বিলের মাত্র ১৩ শতাংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার জন্য কমিটিগুলির কাছে পাঠানো হয়েছে। অথচ মোদি ক্ষমতায় আসার আগে, ২০০৯-২০১৪ সালের সংসদে আইনপ্রণয়ন সংক্রান্ত বিলের ৭১ শতাংশই যাচাই করার জন্য কমিটিগুলির কাছে পাঠানো হয়েছিল। সংসদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিরোধী পক্ষ। অথচ, মোদীর জমানায়, বিরোধীদের দমিয়ে রাখার জন্য পরিকল্পিত প্রয়াস চালানো হয়েছে। এই প্রয়াস একটা নজিরবিহীন স্তরে পৌঁছে যায় যখন ২০২৩ সালে সংসদের শীতকালীন অধিবেশেনে ১৪৬ জন বিরোধী সাংসদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ বাজেটের ওপর আলোচনা ছাড়াই ভোটাভুটি হয় এবং পাশ হয়ে যায়। ২০২৩ সালে পুরো বাজেটটাই আলোচনা ছাড়া পাস হয়ে যায়। সংবিধানের ১৯ ধারা নাগরিকদের দেয় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন গড়ার স্বাধীনতা, যেখানে খুশি যাওয়ার স্বাধীনতা সহ আরও নানা অধিকার। এই সমস্ত মৌলিক অধিকারগুলিকে এখন খর্ব করা হচ্ছে কিংবা একেবারে নাকচ করে দেওয়া হচ্ছে। এর একটা জাজ্বল্যমান উদাহরণ হল আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ (প্রিভেনশন) অ্যাক্ট (ইউএপিএ)। আরও কঠোর করে তোলার জন্য ২০১৯ সালে এই আইন সংশোধন করা হয়েছিল। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইউএপিএ-তে গ্রেপ্তারি ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং গ্রেপ্তার হওয়াদের ৯৮ শতাংশকেই জামিন না দিয়ে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। ২০২১ সালে ইউএপিএ-তে ৮১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে হয় ১০০৫। গ্রেপ্তার করা হয় ৮৯৪৭ জনকে এবং চার্জশিটে নাম ছিল ৬৫০৩ জনের। যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজনৈতিক কর্মী ও সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং রয়েছেন সেই সব ব্যক্তিত্ব যাঁরা সরকারের কাজকর্মের বিরুদ্ধে তাঁদের ভিন্নমত প্রকাশ করেছিলেন। ইউএপিএ ধারায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে তার পক্ষে জামিন পাওয়াটা কার্যত অসম্ভব। আরেকটি অস্ত্র হল ভারতীয় দণ্ডবিধির দেশদ্রোহিতার ধারা। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশদ্রোহিতার ধারায় ৭০১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সরকারের সমালোচনা করার জন্য নাগরিকদের বিরুদ্ধে যে সব দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়েছে, সেগুলির মধ্যে ৯৬ শতাংশ মামলাই দায়ের হয়েছে ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর। এরপর আর দেশদ্রোহিতার ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি, কারণ সুপ্রিম কোর্ট আদেশ দিয়েছিল, পরবর্তী পর্যালোচনা না হওয়া পর্যন্ত এই ধারাটি স্থগিত থাকবে। সংসদে যে ফৌজদারি দণ্ডবিধি গৃহীত হয়েছে সেখানে দেশদ্রোহিতার ধারাটিকে নতুন চেহারায় এবং আরও কঠোর শাস্তিদানের ব্যবস্থা করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কর্পোরেট মালিকগোষ্ঠীকে ভয় দেখিয়ে মূলধারার টেলিভিশন ও প্রিন্ট মিডিয়াগুলিকে বশে এনে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সম্প্রতি গৃহীত টেলিকমিউনিকেশন আইন, আইটি অ্যামেন্ডমেন্ট রুলস এবং ব্রডকাস্টিং বিল -এগুলো সবই সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়াবে এবং সরকারি নিয়মকানুনের মুঠি আরও শক্ত করবে। দেশদ্রোহিতার ধারা, এমনকী ইউএপিএ প্রয়োগ করে স্বাধীনচেতা সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের ভয় দেখানো হচ্ছে। নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতার ক্ষেত্রে ঠিক এমনটাই ঘটেছে। সরকারের পছন্দের বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী কর্তৃক সংবাদমাধ্যমের কেন্দ্রীভবন ও নিয়ন্ত্রণের ফলে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে একা মুকেশ আম্বানিই এখন ৭২টি টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক এবং এই সব চ্যানেলগুলির দর্শকসংখ্যা ৮০০ মিলিয়ন। আদানি গোষ্ঠীও তাদের মিডিয়া মালিকানা আরও সম্প্রসারণের কাজ শুরু করেছে। রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডার সংস্থা ওয়ার্লড প্রেস ফ্রিডমের যে সূচক তৈরি করেছে, তাতে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৬১তে নেমে এসেছে। মোদী সরকার এবং বিজেপির লক্ষ্য হল, সমগ্র বিরোধীপক্ষকে দমন করে দেশে একটি মাত্র দলের একনায়কতন্ত্র কায়েম করা। এই লক্ষ্যে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), সিবিআই এবং আয়কর দপ্তরের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে কাজে লাগানো হচ্ছে বিরোধীপক্ষের এবং বিরোধীদলের নেতাদের টার্গেট করার জন্য। বর্তমানে বিভিন্ন বিরোধী দলের অসংখ্য নেতার বিরুদ্ধে ইডি/সিবিআই তদন্ত করছে, নয়ত তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি গ্রেপ্তার করে জেলে পুরে রেখেছে। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী এক বছরের বেশি জেলে আটক। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি তদন্ত করতে পারে এবং গ্রেপ্তার করতে পারে এই ভয়ে বহু বিরোধী রাজনীতিক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একই কায়দায় শিব সেনা এবং এনসিপির মধ্যে ভাঙন ধরানো হয়েছে। বিরোধী নেতা, সাংবাদিক, এবং রাজনৈতিক ও অধিকার কর্মীদের ফোনে পেগাসাস স্পাইঅয়্যার কীভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়টি এখন প্রকাশ্যে এসেছে। এতেই স্পষ্ট হয়ে গেছে রাষ্ট্রের নজরদারির মাত্রা কত ব্যাপক এবং এখন তা সর্বব্যাপী হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এখন নাগরিকদের একান্ত ডিজিটাল তথ্য হাতে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটা করা হচ্ছে টেলিকম নজরদারির জন্য সেন্ট্রাল মনিটরিং সিস্টেম, ইন্টারনেটের বিশ্লেষণের জন্য নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক অ্যানালিসিস (এনইটিআরএ) এবং নজরদারি মারফৎ পাওয়া তথ্যভাণ্ডারের ন্যাশনাল গ্রিড (ন্যাটগ্রিড) এবং সুসংহত ক্রিমিন্যাল জাস্টিস সিস্টেম (আইসিজেএস) ইত্যাদির মতো বিদ্যমান ডিজিটাল নজরদারির পরিকাঠামোর সাহায্যে। ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট গোপনীয়তা লঙ্ঘনের বিষয়টিকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেছে। কারণ এই আইনে লোকজনকে তাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সব তথ্য জানাতে হয়। এবং সরকার চাইলে এই সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য নজরদারি সংস্থার হাতে তুলে দিতে পারে। সম্প্রতি পাস হওয়া পোস্ট অফিস অ্যাক্ট যে কোনও সরকারি কর্মীকে সন্দেহজনক মনে হলে যে কোনও পার্সেল খোলার অধিকার দেয় এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত করার জন্য সেই পার্সেল কাস্টমস কিংবা অন্য কোনও এজেন্সির কাছে পাঠানোর ক্ষমতাও এই আইনে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি ও প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আধার-সংযোগ বাধ্যতামূলক। এই আধার কার্ডের সাহায্যেও সরকার যে কোনও লোকের সব ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। সরকারি নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করার ব্যাপারে বিশ্বের মধ্যে ভারত রয়েছে একেবারে শীর্ষে। ২০২২ সালেই সরকারের নির্দেশে এদেশে ৮৪ বার ইন্টারনেট শাটডাউন হয়েছিল। বিশেষভাবে এই ব্ল্যাক আউটগুলি করা হয় কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগে এবং সেই কর্মসূচি চলার সময় যাতে এব্যাপারে সাধারণ মানুষের মধ্যে কার্যকর কোনও সমন্বয় গড়ে উঠতে না পারে। যদিও প্রায়ই এই ধরনের সাসপেনশন বা ব্ল্যাকআউট করা হয় নির্দিষ্ট কোনও মানদণ্ড প্রয়োগ না করেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এর মধ্যে অন্তর্নিহিত থাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতি। ভারত হল অনেকগুলি রাজ্যের ইউনিয়ন। কিন্তু বিজেপি-আরএসএস জমানা চায় একটা কেন্দ্রীভূত এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে যেখানে রাজ্যগুলি তাদের আইনসিদ্ধ অধিকার এবং সম্পদ থেকে বঞ্চিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতিমালার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই নীতিই দেশের সব বৈচিত্রকে ধারণ করে। রাজ্যগুলির অধিকারের ওপর এবং বিরোধী দলগুলির নির্বাচিত সরকারগুলির ওপর কেন্দ্রীয় সরকার বর্বরোচিত আক্রমণ নামিয়ে এনেছে। রাজ্যের অধিকারের ওপর সবচেয়ে জঘন্য আক্রমণের নমুনা হল যেভাবে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যটিকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছে। রাজ্যগুলির নিজস্ব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য রাজ্যপালের ক্ষমতার অপব্যবহার, তাদের পর্যাপ্ত সম্পদ দিতে অস্বীকার করা, তাদের ঋণ করার অধিকার দিতে না চাওয়া, যেসব বিষয় রাজ্যের তালিকাভুক্ত সেগুলির ওপর কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা চাপিয়ে দেওয়া — এসবকিছুই হল গণতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এটা লক্ষ্য করেছে যে, ভারতে গণতন্ত্রের বেশ ভালরকম অবক্ষয় ঘটেছে। ২০২১ সালে ফ্রিডম হাউজ ভারতের রেটিং নামিয়ে আনে মুক্ত থেকে আংশিক মুক্ত-তে (বাকি পড়ে থাকে আর একটাই বর্গ — মুক্ত নয়)। ভ্যারাইটিজ অফ ডেমোক্রেসি (ভি-ডেম) সংস্থা কোনও দেশের অবস্থান নির্ধারণ করে তিনটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে। এগুলি হল আবদ্ধ স্বৈরতন্ত্র (ক্লোজড অটোক্রেসি), নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র (ইলেকটোরাল অটোক্রেসি), নির্বাচনী গণতন্ত্র (ইলেকটোরাল ডেমোক্রেসি) বা উদারনৈতিক গণতন্ত্র (লিবারাল ডেমোক্রেসি)। ২০২১ সালে ভি-ডেম ভারতের অবস্থান নামিয়ে এনেছে ‘নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র’ হিসাবে। এবং ইকনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট ভারতকে সরিয়ে নিয়ে গেছে ‘ত্রুটিযুক্ত গণতন্ত্র’ এর তালিকায়। এই সংস্থার মানদণ্ড চারটে, পূর্ণ গণতন্ত্র (ফুল ডেমোক্রেসি) , ত্রুটিযুক্ত গণতন্ত্র (ফ্লড ডেমোক্রেসি), মিশ্র জমানা (হাইব্রিড রেজিম), এবং স্বৈরতান্ত্রিক জমানা (অথরিটেরিয়ান রেজিম)। গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ এবং গণতন্ত্রকে সংকুচিত করে তোলার শিকড় রয়েছে হিন্দুত্ব-কর্পোরেট জোটের মধ্যে। নয়া উদারবাদী নীতি আরও বেশি কার্যকর করা এবং সমাজের ওপর হিন্দুত্বের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেওয়া — এই দুই তাগিদ থেকেই দরকার হয়ে পড়ে একেবারে উচ্চমাত্রার স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের। মোদী সরকারই হল হিন্দুত্ববাদী স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের দৃষ্টান্তস্বরূপ। এই জমানা গণতন্ত্রের পক্ষে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে ধারাবাহিক এবং সম্ভাব্য আশঙ্কা ও উদ্বেগের কারণ। সুতরাং, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার সংগ্রাম হয়ে উঠেছে একেবারে কেন্দ্রীয় বিষয়। সৌজন্যে : পিপলস ডেমোক্রেসি প্রকাশের তারিখ: ১১-মার্চ-২০২৪ |
© কপিরাইট মার্কসবাদী পথ. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |